ঈদের পরে বেফাকের খাস কমিটি এবং মজলিসের আমেলা ও শুরার বৈঠক

0

কওমিকণ্ঠ ডেস্ক : বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-বেফাকের খাস কমিটির বৈঠকে আগামী ১৭ আগষ্ট ফের খাস কমিটির বৈঠক এবং ১৮ আগষ্ট মজলিসে আমেলা ও শুরার বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ (২৮ জুলাই) মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর যাত্রাবাড়িস্থ বেফাক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কওমিকষ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেফাকের সহ সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস। ফোনালাপ ফাঁস বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে আশাকরি ফলাফল ভাল দিকে যাবে।

আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বেফাকের সহ সভাপতি নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা ছফিউল্লাহ, মাওলানা আনাস মাদানী, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, সহকারী মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক ও মাওলানা নুরুল আমিন এবং অর্থ সম্পাদক মাওলানা মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

আরো পড়ুন : বেফাকের সাম্প্রতিক ঘটনা ও কিছু প্রস্তাব
আল্লামা শফীর জামাতা ইসহাক নূর ও বেফাকের আবু ইউসুফের ফোনালাপ ফাঁস
‘মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সম্পূর্ণ নির্দোষ’ বললেন আল্লামা শফী
এবার বেফাকের খাস কমিটি নিয়ে আবু ইউসুফ ও আনাস মাদানীর ফোনালাপ ফাঁস (ভিডিও)

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-বেফাকের সদ্য বহিস্কৃত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবু ইউসুফের সাথে বেফাকের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, বেফাকের সহসভাপতি ও সাহেবজাদায়ে আল্লামা শফী মাওলানা আনাস মাদানী, ফরিদবাদ জামিয়ার সিনিয়র শিক্ষক ও মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের চাচা সদ্য বহিস্কৃত মাওলানা আব্দুল গণী ও সদ্য বহিস্কৃত পরিদর্শক মুফতি ত্বোহার সাথে ফোনালাপ ফাঁস হয়।

এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা সমালোচানার তুমুল ঝড় উঠে। এক পর্যায়ে গত ১৪ জুলাই বেফাক কার্যালয়ে বেফাকের খাস কমিটির বৈঠক ডাকা হয়। বেফাকের সহসভাপতি মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদার বৈঠকে জরুরি ৩ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বৈঠকে বেফাকের সদ্য বহিস্কৃত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবু ইউসুফ, ফরিদবাদ জামিয়ার সিনিয়র শিক্ষক ও মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের চাচা মাওলানা আব্দুল গণী ওপরিদর্শক মুফতি ত্বোহাকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। কিন্তু ফোনালাপে অপর দুই কথোপকথনকারী মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, বেফাকের সহসভাপতি ও সাহেবজাদায়ে আল্লামা শফী মাওলানা আনাস মাদানীর ব্যাপারে বৈঠকে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

তবে বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের থেকে জানা যায়, ১৬ জুলাই বেফাকের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বেফাকের চেয়ারম্যান আল্লামা শফীর সাথে সাক্ষাতে জন্য আল-জামিয়াতুল দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাঠহাজারী. চট্টগ্রামে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আল্লামা শফীর নিয়মিত চেক-আপ থাকায় তিনি ডাক্তারের কাছে যাবেন। তাই বেফাকের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  

Comment

Share.