দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

0

ডেস্ক রিপোর্ট : পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।

নেতৃদ্বয় বলেছেন, পশুর চামড়ার হকদার গরীরা যাতে চামড়ার ন্যায্য মূল্য পায় সে জন্য সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। গত বছর কুরবানীল পশুর চামড়ার দাম পায়নি মানুষ। গত বছরের মত এবছর চামড়ার দাম নিয়ে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। একই সাথে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সতর্কতার সাথে পশু ক্রয় ও কুরবানীর কার্য সম্পাদন করতে হবে।

আজ (৩০ জুলাই) বৃহস্পতিবার সকালে কওমিকণ্ঠে প্রেরিত দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ আব্দুল জলিল স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এই শুভেচ্ছা জানান।

নেতৃদ্বয় বলেন, ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জল পবিত্র ঈদুল-আযহায় পশু কুরবানীর মধ্য দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রচেষ্টা করতে হবে। হযরত ইব্রাহীম ও ইসমাইল আ. এর কুরবানীর ঐতিহাসিক ঘটনাপঞ্জি স্মরণ করে মুসলমানরা আল্লাহর নির্দেশের কাছে নিজেদের সমর্পণের চেতনায় উজ্জীবিত হয়। কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই সার্র্র্র্মথবান সবাইকে পশু কুরবানী দিতে হবে। কারণ কুরবানীকৃত পশুর রক্ত, গোস্ত কিছুই আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, আল্লাহর কাছে পৌঁছে কেবল তাকওয়া। এই পশু কুরবানীর মধ্য দিয়ে মানুষ ও সমাজে বিরাজমান কুপ্রবৃত্তি ও পশুত্ব যাতে দূরীভূত হয় সে চেষ্টা করতে হবে।

শুভেচ্ছা বাণীতে নেতৃদ্বয় বলেন, সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ-উল- আযহা। আবার বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের তান্ডবের মধ্যেই বন্যার প্রকোপে দিশেহারা প্রায় ৩১টি জেলার মানুষ। বন্যাদুর্গত লাখো মানুষ দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। এ ভয়াবহ দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে এব বছরের ঈদ-উল-আযহা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সার্মথবান সবাইকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কুরবানী করতে হবে। এবং কুবানীকৃত পশুর গোস্ত দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কুরবানীকৃত পশুর গোস্তে গরীবদের যে হক রয়েছে তা তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

শুভেচ্ছা বাণীতে নেতৃদ্বয় করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুবরণকারীদের জন্য গভীর সমবেদনা জানান এবং আক্রান্ত ও অসুস্থদের আশু সুস্থতা কামানা করেন। আশা প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও মহান আল্লাহর সাহায্যের মাধ্যমে বিশ্ববাসী চলমান করেনা দুর্যোগ, বিশেষকরে বাংলাদেশের মানুষ করোনা ও বন্যার মহাদুর্যোগ উত্তরণে সক্ষম হবে। শুভেচ্ছা বাণীতে নেতৃদ্বয় বাংলাদেশের জনগণ ও মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্ববাসীর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  

Comment

Share.